তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান। এ খাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। রোববার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান শিক্ষার উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আরও পড়ুন গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী এ সময় শিক্ষার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আইরিন খান শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আইরিন খান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাফল্যের সঙ্গে এ খাতে কাজ করছেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে আমরা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আরও পড়ুন শিক্ষামন্ত্রী / তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি গড়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে পরিচিত করতে চাই শিক্ষা সংস্কারে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ও বিভিন্ন খাতে জাতিসংঘের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষার উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকার প্রশংসা করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়। এএএইচ/ইএ